480
ঢাকাবুধবার , ২৬ আগস্ট ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ভুয়া স্লিপে ৪৮ গ্রাহকের ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
প্রতিনিধি, নোয়াখালী :
আগস্ট ২৬, ২০২৬ ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রতিনিধি, নোয়াখালী : নোয়াখালীর মিরিকপুরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে ‘সার্ভারে ত্রুটি’ দেখিয়ে ভুয়া স্লিপের মাধ্যমে ৪৮ গ্রাহকের কাছ থেকে ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আউটলেট মালিক মো. নাছির উদ্দিন ওরফে খোকন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে, ২০১৯ সাল থেকে মিরিকপুর এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটটির দায়িত্বে ছিলেন নাছির উদ্দিন। পরে তিনি মো. শহিদুল্লাহ ওরফে জিয়াকে টেলার হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর দুজনের যোগসাজশে গ্রাহকদের জমা দেওয়া টাকা ব্যাংকে না দিয়ে আত্মসাৎ করা হতো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, গ্রাহকরা টাকা জমা দিতে এলে অভিযুক্তরা ভুয়া সার্ভারে তাদের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করতেন। পরে সার্ভারে ত্রুটি দেখিয়ে ভুয়া স্লিপ দিয়ে বলা হতো, টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা হয়ে যাবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ গ্রাহকদের হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হতো। এভাবে ৪৮ গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

গ্রাহকরা পরবর্তী সময়ে হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন ও হিসাব হালনাগাদ করতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। টাকা না পেয়ে গ্রাহকরা আউটলেটে গিয়ে অভিযোগ দিলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের লক্ষ্মীপুরের এরিয়া ম্যানেজার বাদী হয়ে নাছির উদ্দিন ও তার সহযোগী শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ করেন। পরে আদালতের নির্দেশে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ২০২৫ সালের ১ জুলাই মামলা করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৮, ৪০৯ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট নাছির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তবে প্রায় এক বছরেও মামলার মূল রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় লক্ষ্মীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার পিবিআই নোয়াখালী জেলার ওপর ন্যস্ত করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন এসআই মো. কামাল আব্বাস।পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে আদালতের অনুমতি নিয়ে নাছির উদ্দিনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে অর্থ আত্মসাতের বিস্তারিত তথ্য দেন। পরে ২২ আগস্ট ২০২৬ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। পিবিআই জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।