480
ঢাকাশুক্রবার , ২২ মে ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাঁচ বছরে ন্যাশনাল টি’র ৩২০ কোটি টাকা লোকসান

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
মে ২২, ২০২৬ ৪:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি মালিকানাধীন ন্যাশনাল টি দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র আর্থিক সংকটে রয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এই কোম্পানিটি গত পাঁচ অর্থবছরে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা লোকসান গুনেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ মনে করছে, করোনা মহামারির প্রভাব এবং উচ্চ সুদের ব্যাংক ঋণের চাপই এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৫৮ টাকা ৫৩ পয়সা। টাকার অঙ্কে যা প্রায় ১০৪ কোটি ৬০ লাখ। বড় এই লোকসানের কারণে ওই অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে টানা লোকসানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি। গত পাঁচ অর্থবছরে কোম্পানিটির মোট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে কোম্পানিটির লোকসান ছিল ৩৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা পরের অর্থবছরে কমে দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯১ লাখ টাকায়। তবে ২০২১-২২ অর্থবছরে আবার লোকসান বেড়ে হয় ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে লোকসান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৬৩ কোটি ৫২ লাখ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় পৌঁছায়। টানা এই লোকসানের ফলে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৪৪ টাকা ৯৭ পয়সা ঋণাত্মক হয়ে গেছে। একই সঙ্গে নিট সম্পদও নেমে এসেছে প্রায় ৯৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ঋণাত্মক অবস্থায়। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোম্পানিটি অবসায়নে গেলে শেয়ারহোল্ডারদের ফেরত দেওয়ার মতো কার্যত কোনো সম্পদ অবশিষ্ট থাকবে না।

ন্যাশনাল টির পরিচালক শাকিল রিজভী জানিয়েছেন, কোম্পানির সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন কৃষি ব্যাংকের ঋণ। উচ্চ সুদের কারণে প্রতিবছর বড় অঙ্কের অর্থ সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তার ভাষ্য, করোনা মহামারির সময় ব্যবসা স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। সেই সময়ের ক্ষতির প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি কোম্পানি। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি ব্যাংক অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই উচ্চ সুদ নিচ্ছে। গত দুই বছর ধরে ঋণের বিষয়টি নিয়ে সমাধানের জন্য ব্যাংকটির সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা করা হলেও কার্যকর সাড়া পাওয়া যায়নি। তার দাবি, একসময় লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল টি এখন ঋণের চাপেই সংকটে পড়েছে।

১৯৭৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ন্যাশনাল টি। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। বুধবার কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৫৬ টাকা ২০ পয়সায়।