নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের অর্জন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার নিয়ে গড়া সংগঠন ‘আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ’-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা বাংলাদেশ’র উপসম্পাদক সৈয়দ মো. তাজুল বশার তাপু। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৮/১, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পত্রে তাজুল বশারকে সহসভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তিনি পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বড় গোপালদী গ্রামের মিয়াবাড়ির সন্তান এবং মৃত সৈয়দ আবুয়াল খায়েরের ছেলে।

সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা : নতুন সহসভাপতিকে ঘিরে আজ ২৭ নভেম্বর আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম রাশেদ এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন আরজু। তারা যৌথভাবে আশা প্রকাশ করেন, নতুন সহসভাপতি তাঁর দক্ষতা, সততা, মেধা ও মনন দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। দায়িত্ব পালনে তাঁর সার্বিক সফলতাও কামনা করেন তারা। আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক মনির আহম্মেদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
‘যা যা করার দরকার, সব করব’ — তাজুল বশার: সহসভাপতির দায়িত্ব পেয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে উদ্যোক্তা বাংলাদেশ পরিবারকে সৈয়দ মো. তাজুল বশার বলেন, “এ দায়িত্ব পেয়ে আমি বেশ খুশি। আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার যা যা করা দরকার, তাই করবো।” তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর ধরে ‘সাবেক স্বৈরাচারি সরকার’ তাদের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে নানা বাধা সৃষ্টি করেছে।
তাজুল বশারের ভাষায়, “সাবেক স্বৈরাচারি সরকার গত ১৬ বছর কোনো কাজ করতে দেয়নি। মাঠে থাকতে দেয়নি। ব্যবসা-বাণিজ্য সব কেড়ে নিয়েছে। আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়নি।”
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সংগঠনকে দ্রুত মাঠমুখী ও সক্রিয় করে তোলার কাজেই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করবেন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ক্ষেত্রে তাজুল বশারের অভিজ্ঞতা, মাঠ পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক সচেতনতা—সব মিলিয়ে তিনি কোকো ক্রীড়া পরিষদকে নতুন করে সংগঠিত ও গতিশীল করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।





