480
ঢাকাসোমবার , ২২ এপ্রিল ২০২৪
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১০ কোম্পানিতে ব্র্যাক ব্যাংকের বিনিয়োগ ৫৫৯ কোটি টাকা

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উবা প্রতিবেদক, ঢাকা
এপ্রিল ২২, ২০২৪ ৪:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানিতে ৫৫৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। যার সব কয়টি মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত। গত ৩১ ডিসেম্বর আনরিয়েলাইজড (অবিক্রিত) গেইন দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আমাদের শেয়ারবাজারে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী রাতারাতি মুনাফা করতে চায়। যে কারণে তারা আইটেমের পেছনে ছুটে বেড়ায়। এটা করতে গিয়ে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসান গুনে। কিন্তু মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করলে লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে।
ব্র্যাক ব্যাংক শেয়ারবাজারের মৌলভিত্তির কোম্পানি হিসাবে পরিচিত বাটা সু, বার্জার পেইন্টস, ইস্টার্ন ব্যাংক, গ্রামীণফোন, লাফার্জহোলসিম, লিন্ডে বিডি, ম্যারিকো, রেনাটা, সিঙ্গার বাংলাদেশ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে ৫৫৮ কোটি ৮৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে। এই কোম্পানিটিতে ব্র্যাকটির বিনিয়োগ ১৪৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
এরপরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে গ্রামীণফোনে। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৭৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ওই ৫৫৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বিনিয়োগের বাজার দর (৩১ ডিসেম্বর) দাঁড়িয়েছে ৫৬৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকটি ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকার আনরিয়েলাইজড মুনাফায় রয়েছে। তবে এই মুনাফা হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে দেখানো হয়নি।
এই ব্যাংকটির সুদজনিত আয়, বিনিয়োগজনিত আয় ও কমিশন আয় বৃদ্ধির কারনে আগের বছরের ৬১৪ কোটি ২০ লাখ টাকার নিট মুনাফা বেড়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ৮২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
আগের বছরে ব্যাংকটির নিট সুদজনিত আয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৪১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। তবে ২০২৩ সালে এই আয় বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৪ কোটি ৮৯ কোটি টাকা।
এছাড়া আগের বছরের ৭৫৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকার বিনিয়োগজনিত আয় বেড়ে ১ হাজার ২৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এবং ১ হাজার ১৫২ কোটি ২১ লাখ টাকার কমিশনজনিত আয় বেড়ে ১ হাজার ৩০৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা হয়েছে।
ব্যাংকটির সুদজনিত আয় করতে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঋণ বিতরনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ২৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এরমধ্যে ২০টি গ্রুপ অব প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে ১১ হাজার ৭১৭ কোটি ৬ লাখ টাকা।
ব্র্যাক ব্যাংক থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপকে। এই গ্রুপে ব্র্যাক ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ (ফান্ডেড+নন ফান্ডেড) ৮১৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
এরপরের অবস্থানে থাকা সিটি গ্রুপকে ৭৬৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা ও তৃতীয় সর্বোচ্চ সামিট গ্রুপকে ৬৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, একটি ব্যাংক একক গ্রাহক বা গ্রুপকে মূলধনের ১০ শতাংশ ঋণ দিলে তা বড় ঋণ বা লার্জ লোন হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ফান্ডেড ঋণ বলতে ব্যাংক থেকে সরাসরি টাকা দেওয়াকে বোঝায়। আর নন-ফান্ডেড বলতে এলসি, গ্যারান্টিসহ বিভিন্ন দায়কে বোঝানো হয়।
১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা ব্র্যাক ব্যাংকের ১৮৭টি শাখা ও ৪০টি উপশাখা রয়েছে। এছাড়া ১৯৮টি এরিয়া অফিস, ৪৫৭টি এসএমই ইউনিট অফিস, ৩২৯টি এটিএম বুথ ও ১০৯৪টি এজেন্ট আউটলেট রয়েছে।