480
ঢাকাশুক্রবার , ৫ জুন ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৪৭ কোটি লেনদেন, মার্কেন্টাইলের তিন কর্মকর্তাকে তলব

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
জুন ৫, ২০২৬ ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ঢাকার উত্তরা শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক আমির হোসাইনসহ তিন কর্মকর্তাকে তলব করেছে। তাদের বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। দুদক সূত্র জানায়, উত্তরা শাখায় সুরাইয়া হকের নামে খোলা একটি ব্যাংক হিসাবে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ৪৯ হাজার ১৪০ টাকা জমা হয়েছে এবং একই হিসাব থেকে সমপরিমাণ অর্থ বিভিন্ন উপায়ে উত্তোলন করা হয়েছে। হিসাবটি ২০২১ সালে খোলা হয়েছিল।

দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে অভিযোগটি দুদকে পাঠানো হয়েছে এবং এতে মানিলন্ডারিংয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুদকের উপপরিচালক (মানিলন্ডারিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বিষয়টি অনুসন্ধান করছে। এর আগে গত ১৭ মে সুরাইয়া হকের ছেলে সারেক ফাহিম হক, তাজওয়ার ফিরোজ হক ও ফারিয়া হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হতে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা সেদিন উপস্থিত হননি। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের আবারও তলব করা হবে। সুরাইয়া হকের স্বামী মৃত খান মোহাম্মদ নাসিমুল হক এবং তারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, জমি বিক্রির টাকা সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দিতে হিসাবটি খোলেন সুরাইয়া হক। সিআইসি কর সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের উপাদান পেয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ঢাকার উত্তরা শাখার ব্যবস্থাপকের অফিসিয়াল মোবাইল ফোন নম্বরে কল করা হলে বর্তমান ব্যবস্থাপক কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি সাবেক ব্যবস্থাপক আমির হোসাইনের সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। ২০২৩ সালে অভিযোগটির অনুসন্ধান শুরু করলেও এখনও অনুসন্ধান শেষ করতে পারেনি দুদক।