480
ঢাকামঙ্গলবার , ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সে জরিমানা, গোপন আয়, হিসাবের কারসাজি (পর্ব-১)

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
ডিসেম্বর ৯, ২০২৫ ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক: বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নথি ও বিশেষ নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে বারবার উঠে আসছে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের নানা অনিয়মের চিত্র। অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়, আইন ভাঙা, প্রিমিয়াম আয়ের গরমিল, তথ্য গোপন-সব মিলিয়ে কোম্পানিটির আর্থিক সুশাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আইডিআরএ’র নন-লাইফ অনুবিভাগের বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় পরিবীক্ষণ শাখা ২০২৪ সালের ১৩ জুন ‘জরিমানা সংক্রান্ত তথ্য ২০২৪’ শিরোনামে যে তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করায় জরিমানার শিকার কোম্পানিগুলোর মধ্যে আছে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সও। ২০২৩ অর্থবছরে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করায় এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে আইডিআরএ। এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি। নন-লাইফ অনুবিভাগের বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় পরিবীক্ষণ শাখা এ সংক্রান্ত নথিতে সই করেন কর্মকর্তা কাজী সাদিয়া আরবী। ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি আইডিআরএ’র ওয়েবসাইটে এই জরিমানার তথ্য প্রকাশ করা হয়। কর্তৃপক্ষের নথি অনুযায়ী, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স ইতোমধ্যে এই ৫ লাখ টাকা জরিমানা পরিশোধ করেছে। অর্থাৎ অভিযোগের প্রাথমিক স্বীকৃতি দিয়ে অর্থ গুণে দিয়েছে কোম্পানি, তবে অতিরিক্ত ব্যয়ের দায় বা ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আনেনি। এখানেই শেষ নয়। একই তালিকায় আরও দেখা যায়—এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সকে আরও ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এটিও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের অভিযোগে। অর্থাৎ, একই কোম্পানি ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা লঙ্ঘন করে কমপক্ষে দুই দফায় জরিমানার মুখে পড়েছে। বীমা আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা অতিক্রম মানে-পলিসিহোল্ডারদের টাকায় অপ্রয়োজনীয় খরচ, মালিকপক্ষ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারী ব্যয়ের প্রবণতা, আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলা, তবু জরিমানা পরিশোধের বাইরে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা বা আত্মসমালোচনা নেই।  ধারাবাহিকের প্রথম পর্ব

আইন ভেঙে ব্যবসা, ২০১৪ সালে ৬ লাখ টাকা জরিমানা : এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের অনিয়ম নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই কোম্পানিটির কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে আছে। ২০১২ সালে কোম্পানিটির চট্টগ্রাম জুবিলি রোড শাখা পরিদর্শন করে আইডিআরএ প্রতিনিধিরা। পরিদর্শন শেষে যে প্রতিবেদন তৈরি হয়, সেখানে উঠে আসে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ- সম্পূর্ণ বাকিতে ব্যবসা করা, আইডিআরএ নির্ধারিত সীমার বাইরে অতিরিক্ত হারে এজেন্ট কমিশন প্রদান, বেতন-ভাতাসহ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোম্পানি অ্যাকাউন্ট-পেয়ি চেকের বদলে ক্যাশ চেক ব্যবহার করে ব্রাঞ্চের সঙ্গে লেনদেন, উৎসে কর কর্তন না করা, অনুমোদিত এজেন্ট লাইসেন্স ছাড়াই কমিশন প্রদান, এসবের মাধ্যমে আইডিআরএ’র একাধিক সার্কুলার- জেন-২৯/২০১১, জেন-৩২/২০১২, জেন-৩২(ক)/২০১২, জেন-৩৪/২০১২, সরাসরি লঙ্ঘনের প্রমাণ পায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। অভিযোগের ভিত্তিতে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সকে তলব করে আইডিআরএ। ২০১৪ সালের মে মাসে আইডিআরএ’র কার্যালয়ে শুনানি হয়। সিদ্ধান্ত হয়, তখনকার মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এ. সাইদুর রহমানকে জরিমানা ১ লাখ টাকা, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডকে জরিমানা ৫ লাখ টাকা। এছাড়া সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়-ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে শাখা বন্ধ করে দেয়া পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অনিয়মের প্রকারভেদ দেখলে বোঝা যায়, শুধু নিয়ম অমান্য নয়-টাকার লেনদেনকে অস্বচ্ছ রাখা, নির্ধারিত কমিশনের বাইরে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া, কর ফাঁকি দেওয়ার পথ খোলা রাখা সবই ছিল এই ব্যবসা পদ্ধতির অংশ।

প্রিমিয়াম আয়ের হিসাবেও গরমিল: এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি—প্রিমিয়াম আয়ের হিসাব গোপন করা।
আইডিআরএ’র নিয়োগকৃত বিশেষ নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান শফিক বসাক অ্যান্ড কোং ২০২২ সালের হিসাবপত্র, ব্যাংক হিসাব ও ভাউচার পরীক্ষা করে যে মতামত দেয়, সেখানে বলা হয়-এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স ২০২২ সালে ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার প্রিমিয়াম আয়ের হিসাব দেয়নি। কিন্তু অনুসন্ধানী বিশ্লেষণে দেখা যায়, আসল গোপন আয়ের পরিমাণ আরও বেশি; ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকারও বেশি।

দুই অঙ্ক, দুই বাস্তবতা : কোম্পানিটির তিনটি ব্যাংক একাউন্টে (ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক) ২০২২ সালে প্রিমিয়াম বাবদ জমা হয়- ৬৪ কোটি ৮১ লাখ ৭৯ হাজার ২৬২ টাকা, নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই অঙ্ক থেকে চেক ডিসঅনার ৩ কোটি ৬০ লাখ ৩ হাজার ২৮০ টাকা, আগের বছরের জমাকৃত প্রিমিয়াম ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৮০৯ টাকা, সুদ (ইন্টারেস্ট) ৪ লাখ ৪৪ হাজার ১৯১ টাকা। এসব বাদ দিলে ২০২২ সালের প্রকৃত জমা দাঁড়ায়Ñ৫৪ কোটি ৩০ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮২ টাকা কিন্তু কোম্পানির লেজারে মোট প্রিমিয়াম আয় দেখানো হয়েছে মাত্র ৪৫ কোটি ৫৫ লাখ ৬৫ হাজার ২০৮ টাকা। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী-কম দেখানো হয়েছে ৮ কোটি ৭৫ লাখ ৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।

কোম্পানির ব্যাখ্যা এবং নিরীক্ষকের পাল্টা হিসাব : এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স দাবি করেছে, ব্যাংকে জমাকৃত টাকার মধ্যে ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৮০৯ টাকা আসলে ২০২১ সালের প্রিমিয়াম, তাই এটি ২০২২ সালের আয় হিসেবে ধরে হিসাব করতে হবে না। কিন্তু নিরীক্ষা

প্রতিবেদনের বিশদ বিশ্লেষণে দেখা যায়-২০২২ সালে ব্যাংক একাউন্টে প্রিমিয়াম বাবদ প্রকৃত জমা ৬১ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮২ টাকা (৬৪.৮১ কোটি – ৩.৬০ কোটি চেক ডিসঅনার)। এই টাকা থেকে বাদ দেওয়া হয়- ভ্যাট ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৫ টাকা, স্ট্যাম্প ডিউটি ১ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার ৫০৬ টাকা। ২০২২ সালের প্রিমিয়াম ডিপোজিট ৭ কোটি ৭০ লাখ ৩৮ হাজার ৭১৬ টাকা। অন্যদিকে যোগ করা হয়-২০২১ সালের প্রিমিয়াম ডিপোজিট ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৬ টাকা। সব মিলিয়ে হিসাব দাঁড়ায়Ñ ২০২২ সালের প্রকৃত প্রিমিয়াম আয় ৫৮ কোটি ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৪১১ টাকা। কিন্তু কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনে ২০২২ সালের মোট প্রিমিয়াম আয় (ডিরেক্ট বিজনেস) দেখানো হয়েছে, ৪৭ কোটি ৭৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। অর্থাৎ, গোপন বা কম দেখানো হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৫১ হাজার ৮৬৬ টাকা। এটি শুধু নিরীক্ষার টেবিলের অঙ্কের গরমিল নয়; এটি সম্ভাব্য আয় গোপন, কর ফাঁকি এবং অর্থপাচারের গুরুতর ইঙ্গিত।

যেভাবে গুরুতর এই গরমিল : প্রিমিয়াম আয় কম দেখানোর মানে, কোম্পানির প্রকৃত আয় গোপন রাখা, কম মুনাফা দেখিয়ে কর দায় কমিয়ে ফেলা, শেয়ারহোল্ডার ও পলিসিহোল্ডারদের কাছে ভুল আর্থিক চিত্র তুলে ধরা। অনেকে আশঙ্কা করছেন, এই গোপন অংশ থেকে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে টাকা সরিয়ে নেওয়াও হতে পারে। ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভ্যাট-স্ট্যাম্প পরিশোধ আর লেজারের অঙ্কের মধ্যে এত বড় পার্থক্য তৈরি হওয়া কেবল “হিসাবের ভুল” বলেই উড়িয়ে দেয়া যায় না, বিশেষ করে যখন-কোম্পানিটি অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের জন্য একাধিকবার জরিমানার শিকার। আগে থেকেই বাকিতে ব্যবসা, অতিরিক্ত কমিশন, লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের কমিশন, ক্যাশ চেকের মাধ্যমে লেনদেনের মতো অনিয়মে দোষী প্রমাণিত। সব মিলিয়ে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আইনের চোখে অবস্থান : বাংলাদেশের বীমা আইন, আইডিআরএ’র সার্কুলার ও আয়কর আইন-সবই পরিষ্কার: প্রিমিয়াম আয় গোপন বা কম দেখানো হলে কর ফাঁকি, শেয়ারহোল্ডার-গ্রাহককে বিভ্রান্ত করা, মানিলন্ডারিংয়ের সম্ভাব্য পথ তৈরি, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় মানে পলিসিহোল্ডারের টাকার অপব্যবহার, ব্যবস্থাপনা দুর্নীতি বা অদক্ষতা, বাকিতে ব্যবসা, অতিরিক্ত কমিশন, ক্যাশ চেক ও লাইসেন্সবিহীন এজেন্টকে কমিশন, সরাসরি আইডিআরএ সার্কুলার লঙ্ঘন, যার জন্য কোম্পানি আগেও জরিমানার মুখে পড়েছে। কিন্তু বারবার জরিমানা গুনেও কোম্পানি তার কার্যক্রমে মৌলিক পরিবর্তন আনেনিÑবরং অনিয়মের ধরন আরও জটিল ও ‘ক্যালকুলেটেড’ হয়েছে বলেই মনে করেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের ক্ষেত্রে এখন আর শুধু জরিমানা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন-ফরেনসিক অডিট- ব্যাংক স্টেটমেন্ট, এজেন্ট কমিশন, প্রিমিয়াম বকেয়া, গাড়ি বিক্রি-সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক নিরীক্ষা। ব্যক্তিভিত্তিক দায় নির্ধারণ- পরিচালক, সিইও, সিএফও, ব্রাঞ্চ ইনচার্জ ও সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট দায় চিহ্নিত করা। মানিলন্ডারিং ও কর ফাঁকি-সংক্রান্ত তদন্ত- এনবিআর, বিএফআইইউ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত অনুসন্ধান। জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশ- পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বিনিয়োগকারী ও পলিসিহোল্ডারের স্বার্থে আইডিআরএ’র তদন্ত ফল প্রকাশ করা। কারণ, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের প্রতিটি অনিয়ম শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়—এটি পুরো বীমা খাতের আর্থিক সুশাসন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর আস্থা এবং সাধারণ গ্রাহকের টাকার নিরাপত্তাকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জরিমানা গুণে ফাইল বন্ধ হলে হয়তো কাগজে-কলমে সব ঠিকই থাকে, কিন্তু হিসাবের গরমিল আর গোপন আয়ের এই চক্র ভাঙবে কীভাবেÑতার জবাব চাই এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেই।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে দৈনিক বাংলার গৌরবের পক্ষ থেকে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বদিউজ্জামান লস্করের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হয়। হোয়াস্টঅ্যাপ ফোন ও বার্তা পাঠানো হয়। অবশেষে ফোনে সন্ধান মেলে হাসপাতালে, জানান হাসপাতালে আছি। পরে কথা বলব। পরে অনেক যোগোযোগ করলেও তিনি কথা কোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করেননি। সূত্র: দৈনিক বাংলার গৌরব

চোখ রাখুন দ্বিতীয় পর্বে-‌‌’এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সে বিনিয়োগবিধি ভঙ্গ নিরীক্ষায় অনিয়ম আর এসবিসির বকেয়া’