480
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১১ জুন ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোজ্যতেলে কারসাজি:টিকে গ্রুপকে ৩২ কোটি টাকা জরিমানা

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ঢাকা :
জুন ১১, ২০২৬ ১০:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : ভোজ্যতেল সরবরাহে কারসাজির অভিযোগে টিকে গ্রুপের মালিকানাধীন শবনম ভেজিটেবিল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ৩২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কমিশনের সচিব মাহবুবুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে পারস্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো এবং উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে প্রতিযোগিতা আইন ২০১২-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।

প্রতিযোগিতা কমিশন জানায়, ২০১২ সালের আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী শবনম ভেজিটেবিল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজকে ৩২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। চূড়ান্ত আদেশ ঘোষণার পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী আপিল বা আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে।

রায়ের মতামতে বলা হয়, শবনব ভেজিটেবল অয়েল ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভোজ্যতেল উৎপাদন ও সরবরাহ সীমিত করে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজসে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। যা ২০১২ সালের প্রতিযোগিতিা আইনের ১৫ ধারার উপধারা (১) এবং উপধারা (২) এর দফা (ক), উপ-দফা (অ ও দফা (খ) লঙ্ঘন প্রমাণিত হয়। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক নিয়োগ আদেশের ৯(৩) ধারা অনুযায়ী সরবরাহ আদেশের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৫ দিন এবং তা কোনোভাবেই বাড়ানো যায় না। পাশাপাশি, মেয়াদোত্তীর্ণ সরবরাহ আদেশের বিপরীতে পণ্য সরবরাহ করাও নিষিদ্ধ। তবে শবনম ভেজিটেবল অয়েলের ক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণ সরবরাহ আদেশ (এসও) ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে, যা প্রতিযোগিতাবিরোধী চুক্তি হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়ে বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং সে সময় দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এ ঘটনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অনুসন্ধান চালিয়ে সরবরাহ সংকট সৃষ্টির প্রমাণসহ আটটি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়। সে সময় প্রতিযোগিতা কমিশন তিন সদস্যদের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে। তারা গ্লোব এডিবল অয়েল লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, মেঘনা ও ইউনাইটেড এডিবল অয়েল লিমিটেড, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমেটেড এবং বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমেটেডের কারসাজির কারণে বাজার ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বাড়ে। বাজারে সরবরাহ সীমিত করায় প্রতিযোগিতা আইনের তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে কমিশনের নিজস্ব অনুসন্ধান ও ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শবনম ভেজিটেল অয়েলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।