480
ঢাকাসোমবার , ১ জুন ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাভারে ট্যানারিতে সাড়ে ৫ লাখ চামড়া সংগ্রহ

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
জুন ১, ২০২৬ ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রতিনিধি, সাভার: সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে ঈদের দিন বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত তিন দিনে ট্যানারি মালিকরা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেছেন, আর ট্যানারির বাইরে আড়তদাররা সংরক্ষণ করেছেন আরও প্রায় এক লাখ চামড়া। শনিবার দুপুরে শিল্পনগরীর নির্বাহী প্রকৌশলী মেহরাজুল মাঈয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ সময়ের মধ্যে মোট ১ হাজার ৭১২টি ট্রাক চামড়া নিয়ে ট্যানারিগুলোতে প্রবেশ করেছে; যার মধ্যে ৫ লাখ ১১ হাজার ৫৪০টি গরু ও মহিষের এবং ১৬ হাজার ১৩৬টি ছাগল ও ভেড়ার চামড়া রয়েছে।

সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হরিণধরায় বিসিক শিল্পনগরীর ট্যানারিগুলোতে শনিবার সকালেও ট্রাকে কাঁচা চামড়া প্রবেশ করতে দেখা গেছে। ঈদের দিন দুপুরের পর থেকেই রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁচা চামড়াবোঝাই যানবাহনগুলো এই চামড়া শিল্পনগরীতে আসতে শুরু করে। পরে এসব কাঁচা চামড়া সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করেন ট্যানারি মালিকরা, যা শনিবারও অব্যাহত ছিল। সংগ্রহ করা চামড়াগুলো লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।

বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত মিতালী ট্যানারির সেলেক্টার মানিক জানালেন, তাদের ট্যানারিতে প্রায় ২০ হাজার কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই চামড়াগুলোই এখন পরিষ্কার করে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে নষ্ট না হয়ে যায়। ট্যানারি মালিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীরা তাদের সংগ্রহ করা কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সরাসরি সাভারের এই শিল্পনগরীতে নিয়ে আসেন। এসব কাঁচা চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য ট্যানারিগুলোতে দ্রুত লবণ দিয়ে প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।