480
ঢাকাসোমবার , ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অনিয়মে ছয় মার্চেন্ট ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ বিএসইসির

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
এপ্রিল ২৭, ২০২৬ ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা জোরদার করতে ছয়টি মার্চেন্ট ব্যাংকের নিবন্ধন সনদ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকা এবং বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্ত শুরু হয়েছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, রুটস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, হাল ক্যাপিটাল লিমিটেড, রিভারস্টোন ক্যাপিটাল লিমিটেড, এনডিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ও ইনভেস্টিগেশন বিভাগের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও লাইসেন্স বহাল রাখার যৌক্তিকতা যাচাইয়ে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুইজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে আলাদা কমিটি করা হয়েছে। দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী, অনু দে ও সিরাজুল ইসলাম এফএএস ক্যাপিটাল, রাকিবুর রহমান ও বিভাষ ঘোষ রুটস ইনভেস্টমেন্ট, সিদ্দিকুর রহমান ও সাইদুল ইসলাম হাল ক্যাপিটাল, এমদাদুল হক ও মাসুম বিল্লাহ রিভারস্টোন ক্যাপিটাল, গোলাম কিবরিয়া ও মিজানুর রহমান এনডিবি ক্যাপিটাল এবং আহসানুল কবির ও শাকিলা সুলতানা ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটালের কার্যক্রম তদন্ত করবেন।

তদন্তে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, মার্জিন রুলস মেনে চলা এবং ব্যাক-অফিস সফটওয়্যারের স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং তথ্য সুরক্ষায় কোনো ধরনের কারসাজি হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এবারের তদন্তে শুধু কাগজপত্র যাচাই নয়, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক কার্যকারিতা, নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদ সভা আয়োজন এবং কমিশনের নির্ধারিত ফি পরিশোধে কোনো গাফিলতি আছে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করে থাকে, তাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসইসি। কমিশনের মতে, যেসব মার্চেন্ট ব্যাংক বাজারে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বা নিয়ম মেনে পরিচালিত হচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে।

তদন্তে গুরুতর অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে শেয়ারবাজারে মোট ৬৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করা, আইপিও ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে নিষ্ক্রিয় বা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেই এবার কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।