480
ঢাকাসোমবার , ৩০ মার্চ ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানে সংঘাতে ৯২ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত, বাড়ছে বীমা ঝুঁকি

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
মার্চ ৩০, ২০২৬ ১২:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইরানে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশটির আবাসন ও বীমা খাতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে ৯২ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রেড ক্রিসেন্ট এক বিবৃতিতে জানায়, মোট ৯২,৬৬২টি ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিটের মধ্যে ৭১,৩৫৬টি আবাসিক ভবন এবং ২০,৩৯৯টি বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে। পাশাপাশি হামলায় ২৯০টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও ৬০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংস্থাটির ১৭টি কেন্দ্র, ৪৬টি অ্যাম্বুলেন্স এবং তিনটি ত্রাণ হেলিকপ্টারও ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সংঘাতের প্রভাবে শুধু আবাসিক ভবন নয়, হাসপাতাল, স্কুল, ত্রাণ কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ কিছু এলাকায় হামলার ফলে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির এই তথ্যগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইরানে সাধারণত ভবনের জন্য অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগভিত্তিক বীমা প্রচলিত। তবে আন্তর্জাতিক বীমা চর্চার মতোই অধিকাংশ পলিসিতে ‘ওয়ার এক্সক্লুশন ক্লজ’ থাকে, যার ফলে যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতজনিত ক্ষয়ক্ষতি সাধারণত কাভারেজের বাইরে থাকে।

এ কারণে বিমান হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের জন্য বীমা কোম্পানিগুলো সরাসরি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য নয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বড় আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে।

বীমা খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে গ্রাহকদের মধ্যে বীমা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

যুদ্ধজনিত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে পুনর্গঠনের দায়িত্ব সাধারণত সরকারের ওপর বর্তায়। অতীতে ইরানে যুদ্ধকালীন ক্ষতির জন্য বিশেষ তহবিল বা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলমান সংঘাতের কারণে উদ্ধার তৎপরতা ও কনস্যুলার সেবা সীমিত হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে আবাসন খাতে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে এবং বীমা খাতের ওপর চাপ বাড়বে। এতে পুনর্গঠন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে সামগ্রিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।