480
ঢাকাবুধবার , ২৫ মার্চ ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেটাকে বড় অঙ্কের জরিমানা

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
মার্চ ২৫, ২০২৬ ১:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি জুরি রায়ে জানিয়েছে, মেটা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করেছে এবং তাদের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের ঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা দিতে হবে। মামলাটি করেছিলেন নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল তোরেজ। তিনি অভিযোগ করেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেটা ব্যর্থ হয়েছে এবং প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশু যৌন শোষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ছয় সপ্তাহ ধরে চলা শুনানি শেষে জুরি এক দিনেরও কম সময় আলোচনার পর সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। তারা মনে করেন, মেটা নিউ মেক্সিকোর ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে। আদালত জানায়, প্রতিষ্ঠানটি মোট ৭৫ হাজার বার আইন ভঙ্গ করেছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে ৫ হাজার ডলার করে জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রায়ের পর এক বিবৃতিতে রাউল তোরেজ বলেন, এটি শিশু ও পরিবারের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক জয়’। তার ভাষায়, কোনো কোম্পানি আইনের ঊর্ধ্বে নয়— এই বার্তাই স্পষ্ট হয়েছে। তবে রায়ের সঙ্গে একমত নয় মেটা। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। তাদের দাবি, প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিত কাজ করছে এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত ও অপসারণ করা একটি জটিল প্রক্রিয়া।

মামলার শুনানিতে রাজ্যপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, মেটা দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। প্ল্যাটফর্মে প্রিডেটরদের অবাধ প্রবেশের সুযোগ ছিল। যা বাস্তব জীবনে নির্যাতন ও মানবপাচারের ঘটনাও বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, মেটার আইনজীবীরা আদালতে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ব্যবহারকারীদের কাছে বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো তথ্য গোপন করা হয়নি।

এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালের একটি গোপন তদন্ত থেকে। তদন্তকারীরা ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীর পরিচয়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খুলে দেখেন, সেখানে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন বার্তা ও প্রাপ্তবয়স্কদের যোগাযোগের শিকার হচ্ছেন।