480
ঢাকাবুধবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৩২৫ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি, আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিয়াত সোবহান ও পরিচালক ময়নাল হোসাইন চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি’র সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী মোস্তাক আহমেদ (সি. এম. আহমেদ), পরিচালক মনোয়ারা শিকদার, পারভীন হক শিকদার, মোয়াজ্জেম হোসেন, রিক হক শিকদার, রন হক শিকদার, মো. আনোয়ার হোসেন ও একেএম এনামুল হক শামীমকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম ও ‘পলিসি অ্যান্ড প্রসিডিউরাল গাইডলাইনস অন ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট’ লঙ্ঘন করে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের নামে ৫৭৫ কোটি টাকার ফান্ডেড এবং ৭৫০ কোটি টাকার নন-ফান্ডেডসহ মোট ১ হাজার ৩২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অপর্যাপ্ত ও অকার্যকর জামানত, ফোর্টনাইট স্টক রিপোর্টের অনুপস্থিতি, গ্রাহকের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই না করা, ফাঁকা ও তারিখবিহীন চার্জ ডকুমেন্ট গ্রহণ, অন্যান্য ব্যাংকে দায়-দেনা যাচাই না করা এবং কারখানা পরিদর্শন ও স্টক রিপোর্ট ছাড়াই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বিতরণকৃত ৫৭৫ কোটি টাকার ফান্ডেড ঋণের পুরো অর্থ পরিশোধ না করে ৫০৩ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বসুন্ধরা গ্রুপভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। অনলাইন ক্লিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অর্থ জমা, বিল সমন্বয়, সিসি (হাইপো) ও ওডি ঋণ সমন্বয়, নগদ উত্তোলন এবং ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জুন ২০১৮ মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধে অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদক জানায়, আত্মসাতকৃত অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন বা ছদ্মাবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে এসব লেনদেন করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৯/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বাদি হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া। এ বিষয়ে গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। দলে দুদক, সিআইডি, কাস্টমস, ভ্যাট ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।