480
ঢাকামঙ্গলবার , ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিজার্ভ ফের ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ ৩:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এই জোরালো প্রবাহ এবং ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রবাসী আয়ের উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফনের ফলে ব্যাংকিং খাতে ডলারের উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে। এতে ডলারের দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার যোগান ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা এবং মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার ১৬টি ব্যাংক থেকে মোট ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এ লেনদেনে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই নির্ধারিত হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছর (২০২৫–২৬) এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪১৫ কোটি মার্কিন ডলার (৪ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০২২ সালে দেশের ডলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। তখন প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে একপর্যায়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎকালীন সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিলেও বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়।

গত তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০২১–২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, ২০২২–২৩ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। বিপরীতে এ সময়ে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কেনা হয়েছে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থপাচার রোধে বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ফলে রপ্তানি ও প্রবাসী আয় উভয়ই বেড়েছে। এতে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। ডলারের দাম যেন অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায়, সে জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে ভারসাম্য বজায় রাখছে। ডলারের দর কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও তিনি জানান। ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে।