480
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  1. অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদন
  2. অপরাধ-আইন ও আদালত
  3. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প
  4. অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প-ব্যাংক-বীমা-নন ব্যাংক
  5. আইটি, টেলিকম ও ই-কমার্স
  6. আবাসন-ভূমি-রাজউক-রিহ্যাব
  7. উদ্যোক্তা-জীবনী
  8. করপোরেট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  9. কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ
  10. গণমাধ্যম
  11. গৃহায়ন ও গণপূর্ত
  12. জনশক্তি ও পর্যটন
  13. জনসংযোগ-পদোন্নতি ও সম্মাননা
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা-শোক-দুর্যোগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি পথে এস আলম গ্রুপ

https://www.uddoktabangladesh.com/wp-content/uploads/2024/03/aaaaaa.jpg
উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেস্ক:
অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলার গৌরব ডেস্ক : ব্যবসায়ী এস আলম ও তাঁর পরিবার সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে মামলা করেছেন। তাদের অভিযোগ, অবৈধ অর্থ পাচারের অভিযোগে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে তাদের কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর বরাতে জানা গেছে, গত সোমবার এস আলম পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ICSID)-এ এ আবেদন জমা দেয়। তবে মামলাটি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস কোনো মন্তব্য করেনি।

এস আলম পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দমনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে সম্পদ জব্দ, বাজেয়াপ্ত ও ধ্বংস করার মতো পদক্ষেপ।

অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে শত শত কোটি ডলার পাচার হয়েছে এবং সেই অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময়ে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার (২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার) বিদেশে পাচার হয়েছে। এ অর্থ উদ্ধারের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

এস আলম গ্রুপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, আহসান মনসুরের দাবির কোনো ভিত্তি নেই। গত বছরের ডিসেম্বরে এস আলম পরিবারের আইনজীবীরা সরকারকে সতর্ক করেছিলেন যে, ছয় মাসের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা না হলে তারা আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্তে তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ‘ভিত্তিহীন তদন্ত’ চালানো হয়েছে। এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে ‘প্ররোচনামূলক গণমাধ্যম অভিযান’ পরিচালিত হয়েছে, যার ফলে শত কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে তারা ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-কে বলেন, “যখনই আবেদন আমাদের হাতে আসবে, তখনই আমরা যথাযথভাবে উত্তর দেব।”

২০০৪ সালে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তি (Bilateral Investment Treaty)-এর আওতায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, এস আলম পরিবার বর্তমানে সিঙ্গাপুরে বসবাস করছে এবং ২০২০ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার পর ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে।

পরিবারটির দাবি, সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে তারা বাংলাদেশে ১৯৮০ সালের বিদেশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ আইন অনুযায়ী সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। তবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য জানায়নি।