মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি) থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত বহাল থাকা করছাড় সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এনবিআর থেকে জানানো হয়, ২০১৭ থেকে ২০২৭, ১০ বছর তো পেলেন। আর কত লং টার্ম? এখন যদি বলেন, রোজ কিয়ামত পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে চাচ্ছি, তাহলে তো হবে না। তখন এনবিআর থেকে জানতে চাওয়া হয় কর তো কমানো হলো দাম কেন কমলো না? জবাবে দাম না কমার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ।
সোমবার বিকেলে এনবিআর ভবনে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।
আলোচনার এক পর্যায়ে এনবিআরের সদস্য (ভ্যাট নীতি) আজিজুর রহমান বলেন, ‘‘আপনাদের মোবাইল ফোনগুলো সব দাম বেড়ে যাচ্ছে, কন্টিনিউয়াসলি বেড়ে যাচ্ছে—এটির কারণ কী?’’ তার সঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানও যোগ করেন, ‘‘এটি কিন্তু খুব ভালো বলেছে। কারণ আমরা এই সর্বশেষ যে ট্যাক্সটা কমালাম, ইমপোর্টেও কমালাম, আপনাদেরটাও কমালাম। কিন্তু দাম কমেনি। এখন এটি নিয়ে তো লোকজনের মধ্যে কথা হচ্ছে। কেন বাড়ল এটি?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘স্যার, আপনারা জানেন যে গ্লোবালি মোবাইল ফোনের মেজর মেইন কম্পোনেন্ট হলো মেমোরি—র্যাম (RAM), রম (ROM)। যেটির দাম আগে ৪-৬৪ মেমোরির দাম ছিল যদি ৮-১০ ডলার, সেটি বেড়ে হয়ে গিয়েছে ৩৫-৪০ ডলার। এটি গ্লোবাল মার্কেটের চিপ শর্টেজের কারণে। এখন প্যানডেমিকের পরে যেটি হয়েছে, সব ফ্যাক্টরিগুলো ইলেকট্রিক ভেহিকেলের দিকে ডাইভার্ট হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো বেশি প্রফিট পায়, যখন তারা ইলেকট্রিক ভেহিকেলে দেয়। সো মোবাইল ফোনের অ্যালোকেশন তারা কমিয়ে দিয়েছে এবং চিপের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সো এই একটা কারণেই মূলত গত এক বছরে মোবাইলের দামটা আসলে কন্ট্রোল করা সম্ভব হয়নি।’’
এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ আরও বলেন, ‘‘তবে একটা ভালো নিউজ হলো যে লাস্ট এক মাস ধরে মেমোরির দাম একটু কমার দিকে। সো আমরা আশা করছি নেক্সট থ্রি টু ফোর মান্থস-এর মধ্যে হয়ত আমরা কিছুটা প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে পারব এবং মার্কেটে দাম কিছুটা কমবে। তবে ওই ডলার রেটটা যদি আবার স্টেবল থাকে, তাহলেই আসলে কমানোটা সম্ভব হবে। কারণ ডলারের যে ইমপ্যাক্টটা আমাদের ওপর পড়ছে, সেটি আসলে আনবেয়ারেবল।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘আপনাদের এখানে তো ভ্যালু এডিশন খুব একটা বেশি হচ্ছে না। আপনারা তো মূলত অ্যাসেম্বলিং (assembling) করছেন। আপনাদের কি পিসিবিএ ম্যানুফ্যাকচারিং করার কোনো প্ল্যান আছে?’’
জবাবে এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘আমরা কিন্তু অলরেডি পিসিবিএ (PCBA) করছি। আমাদের দেশে এখন সাত-আটটা কোম্পানি আছে, যারা সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি বা এসএমটি (SMT) লাইনে পিসিবিএ করছে। মানে হলো মাদারবোর্ডে কম্পোনেন্ট বসানো। কিন্তু, পিসিবি যেটি—যে বোর্ডটা ফ্যাব্রিকেশন করা—সেটা অনেক বড় ইনভেস্টমেন্ট এবং অনেক এনভায়রনমেন্টাল হ্যাজার্ড আছে সেখানে। তাই, সেটির জন্য আমরা আরও একটু সময় চাচ্ছি এবং সেটার জন্য ডেডিকেটেড কোনো ইকোনমিক জোন যদি দেওয়া হয়, তাহলে হয়তো ফিউচারে পিসিবি ফ্যাব্রিকেশনও বাংলাদেশে সম্ভব হবে।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘আপনাদের কথাগুলো আমরা নোট করলাম। আমরা বিটিআরসির সাথে বসে এই পলিসিগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করব।’’
জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘আমাদের পলিসির মধ্যে চার্জার ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কথাটা বলা আছে। আগে তো ছিল যে এডাপ্টারসহ একবারে ক্যাবল একটি যেটিকে আমরা চার্জার বলতাম। এখন এটি দুইটা আলাদা পার্ট এডাপ্টার এবং মাঝখানেরটাকে ডাটা ক্যাবল বলি। গ্লোবালি ই-ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের পার্ট হিসেবে আইফোন থেকে শুরু করে সবাই এখন টাইপ সিতে চলে যাচ্ছে। ইউনিক চার্জিং সিস্টেম। তো সেই ক্ষেত্রে এই ডাটা ক্যাবলের কিছু কম্পোনেন্ট যেটি আসলে চার্জারেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ, এটির কিছু কম্পোনেন্ট এসআরওতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আদারওয়াইজ ওই চার্জার জিনিসটা আর ইনকমপ্লিট থেকে যাবে। প্রোডাকশন আমরা করতে পারব না। এখনকার যে ভ্যাট পলিসি, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এটার মেয়াদ। ভ্যালু অ্যাডিশন ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজে আমরা তখনই ইনভেস্টমেন্ট করব, যদি এই পলিসিগুলো একটা লং টার্ম আমাদের একটু এসিউরেন্স দেওয়া হয়। তাহলে এফডিআই আসবে, ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজে তারা ইনভেস্ট করবে।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘২০১৭ থেকে ২০২৭, ১০ বছর তো পেলেন। আর কত লং টার্ম? এখন যদি বলেন, রোজ কিয়ামত পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে চাচ্ছি, তাহলে তো হবে না।’’
জবাবে এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘না স্যার, ওইটা বলি নাই। আপনি যদি আমাদের সামগ্রিক পলিসি যদি না দেখেন, ইন্ডিয়াতে যা হয়েছে স্যার—আমি ইন্ডিয়ার একদম এক্স্যাক্ট ডাটাটা আপনাদের দিতে পারব—কিভাবে ইন্ডিয়া ১৫-২০ ইয়ার্সে এখনকার স্টেজে এসেছে। সেখানে গ্লোবাল ফ্যাক্টরিগুলো চলে গিয়েছে। আইফোনের মতো কোম্পানি সেখানে চায়না থেকে ইন্ডিয়াতে ম্যানুফ্যাকচারিং হচ্ছে। সো শুধু একটা পলিসি না স্যার, একটা কম্বাইন্ড একটা প্যাকেজ দিতে হবে এই ইন্ডাস্ট্রিগুলোর জন্য।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘কম্বাইন্ড যেটা বললেন সেটি তো হলো না। আমাদের যদি এমন হতো যে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের জন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রি আমাদের ইনভেস্টররা প্রস্তাব দিয়েছে, বিডা সেটি কনসিডার করছে এবং সেখানে একটা অ্যানালাইসিস হচ্ছে, সেখান থেকে একটা ইয়ে... তাইলে না টোটাল হতো। আপনি তো আবার সেই পিসমিল-এ গেলেন। যে আমাকে ১৭ থেকে ১৮ দিয়েছেন, এই করতে করতে এক বছর করে বাড়িয়েছেন, এখন ২৭-এ শেষ হবে, এটা আবার বাড়ান—তো পিসমিল-এ ডেভেলপমেন্ট হলো কই?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘স্যার, উইথ ডিউ রেসপেক্ট, ১৭ থেকে এই পর্যন্ত পলিসি চেঞ্জ হয়েছে প্রায় আট বার। প্রতিবার ট্যাক্স বাড়ে-কমে, বাড়ে-কমে। সো এই ফরেন ইনভেস্টমেন্ট যে আসবে, তারা দেখতে পাচ্ছে যে কোনো কনসিস্টেন্সি নাই। আমি কোথায় যাব? নেক্সট ইয়ার যে বাড়িয়ে দেবে না, পলিসি যে বন্ধ করে দেবে না—এই অ্যাস্যুরেন্সটা আসলে কমফোর্ট তো যদি না পায়, তাহলে এখানে কে আসবে স্যার? ইটস আ রিয়েল বিজনেস কেস।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘সাধারণত তো যেখানে সানসেট ডেট থাকবে, আপনাকে ধরে নিতে হবে এরপর আর বাড়বে না। এটাই আইডিয়াল। কিন্তু, আপনি এরকম আনসার্টেইন সিদ্ধান্ত তো নেবেন না যে এখন ২৭ পর্যন্ত যেটা আছে, আপনাকে ধরে নিতে হবে ২৭-এর পর আর বাড়বে না। আর আপনি যদি এক্সপেক্ট করতে থাকেন ২৭-এর পরে আবার বাড়বে এবং প্রেশার ক্রিয়েট করতে থাকেন, তাহলে তো মুশকিল। বরং আপনারা যদি শুরু থেকে বলতেন যে আমাদের একটা লম্বা সময়ের জন্য একবারে করে দেন, এরপর আমরা চাইব না—কিন্তু তা তো হচ্ছে না। যেমন আমাদের আইটিএস এর ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটেছে। আমাদের এই কম্পিউটার বলেন, ইয়ে বলেন—আজকে ১৫ বছর ধরে কন্টিনিউয়াসলি বাড়ানো হচ্ছে, বাড়ানো লাগে। তো এটা তো আসলে কোনো সিস্টেম হলো না যে একদিকে কনসিস্টেন্সি নাই, অন্যদিকে বন্ধ করা যাচ্ছে না। রেভিনিউই বা কীভাবে আসবে, ইনভেস্টমেন্টই বা কীভাবে আসবে?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘আমরা স্যার প্রতিবারই এই প্রস্তাবনাটা বাজেটের সময় দিই, পলিসির মেয়াদ আমাদের বাড়ানো হোক, বাড়ানো হোক। কিন্তু একবারে এনবিআরের এটা রাষ্ট্রীয় আইন কি না জানি না যে পলিসিগুলো এক বছরের জন্যই হয়—এরকম আমাদের ধারণা। তো সেই জন্যই প্রতিবছর আমরা একই জিনিস বারবার দিয়ে দিই যে এক বছর বাড়াও, এক বছর বাড়াও, এক বছর বাড়াও। এভাবে করে আমাদের যাত্রা অব্যাহত আছে। তো সেকেন্ড প্রস্তাবনা যেটা স্যার, আমাদের এখানে টেবিল ২-তে যারা ৫০% পিসিবিএ করে—ব্যাটারি চার্জার—তাদের যে ভ্যাট স্ট্রাকচার সাড়ে সাত পারসেন্ট, এখানে ১০০% যদি শুধু পিসিবিএ করা হয়, তাদেরকেও একই সুবিধা যাতে দেওয়া হয়—সেই একটা প্রস্তাবনা।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘পিসিবিএ মানে কী, বুঝিয়ে বলেন।’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘এটা হলো মোবাইল ফোনের যে মাদারবোর্ডটা। মাদারবোর্ডটা আমাদের এখানে এসএমটি যে মেশিন...’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘মানে কি ফার্দার ট্যাক্স রিডাকশনের প্রস্তাব দিচ্ছেন আরও?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘ফার্দার ট্যাক্স রিডাকশন না স্যার। একটা টেবিলের মধ্যে আরেকটা গ্রুপকে নিয়ে আসা। তিনটা টেবিলে এখানে ভ্যাট দেওয়া হয়। টেবিল ১-এ একটা, টেবিল ২, টেবিল ৩। তো টেবিল ৩-তে যারা আছে, তারা যদি এখন ৫০% তাদের মোবাইল ফোন পিসিবিএ করার কন্ডিশন—তারা যদি ১০০% করতে পারে, তাহলে টেবিল ২-তে তারা এনটাইটেলড হবে—এটাই আমাদের প্রস্তাব।’’
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘সারা পৃথিবীতে কোথাও এত কমপ্লিকেটেড সিস্টেম নাই। আপনারা যা বুদ্ধি নিয়ে আসেন, আমাদের লোকেরাও এগুলো আপনাদের দিয়ে তৈরি করে দেয়। ট্যাক্স হবে সিম্পল। ব্যবসা করবেন, ইনকাম হবে, ইনকামের ওপর ট্যাক্স দেবেন। কত রকমের ১, ২, ৩, ৪ টেবিল, এত কমপ্লিকেটেড—এটা ঢোকাও, ওটা বাদ দাও। আমাদের একটু আস্তে আস্তে করে স্ট্রিমলাইনে চলে আসতে হবে।’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘স্যার, আমরা ওটা করেছিলাম ভ্যালু এডিশনের পারসপেক্টিভে যে যত ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ... আমাদের যেটা হয় যে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজগুলো তো আলাদা ইন্ডাস্ট্রি না, আমরাই করছি। সেই পারসপেক্টিভে ওটা তখন করা হয়েছিল আরকি। আমাদের কিছু ফিল্ড লেভেলে ক্ল্যারিফিকেশন দরকার, স্পষ্ট কিছু করা দরকার। সেটা হলো যে মোবাইল ইন্ডাস্ট্রি মানে মোবাইল ইন্ডাস্ট্রি। এখানে স্মার্টফোন, ফিচার ফোন আলাদা করা সম্ভব না। নেক্সট ইয়ার থেকে যে ফিচার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড বেসড ফিচার ফোন মার্কেটে আসতেছে—সে ক্ষেত্রে কোনটা স্মার্টফোন, কোনটা ফিচার ফোন, কোনটা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফিচার ফোন...’’
তখন এনবিআর চেয়ারম্যান জানতে চান, ‘‘একটু বলেন তো, ফিচার ফোনের মধ্যে আবার অ্যান্ড্রয়েড—মানে কী, বুঝান তো?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘ফিচার ফোনের মধ্যে ৪জি যে... নরমালি ফিচার ফোনে কোনো অপারেটিং সিস্টেম থাকে না। তো এখন আমাদের স্মার্টফোনের যে দামটা বেড়েছে স্যার—এখন মিনিমাম যেটা আগে ৬০০০-৭০০০ ছিল, সেটার মিনিমাম দাম এখন ১৪০০০-১৫০০০ হয়ে গিয়েছে মেমোরির দাম বাড়ার কারণে। সো আমরা এই ৪জি-কে পেনিট্রেট (penetrate) করার জন্য—বাংলাদেশ সরকারের যেটা একটা উদ্দেশ্য, এখানে অপারেটর প্রতিনিধি আছেন যে ২জি সানসেট করে ফেলবে। ২জি সানসেট করলে সে ক্ষেত্রে আমাদের ৪জি ফোন নিয়ে আসতে হবে। ৪জি ফোনে শুধু ভয়েস কল করে এত দাম দিয়ে কিন্তু কেউ কিনবে না। কারণ ফিচার ফোনের দাম ১০০০ টাকা আর ৪জি ফিচার ফোন যদি হয়, সেটার দাম হবে ২৫০০ টাকা। সো এই ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্টটা ওই দরিদ্র জনসাধরণ করবে না। তো আমাদের কী করতে হবে? এটাকে একটা অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে ওই ফিচার ফোনে যাতে সে ফেসবুক চালাতে পারে, ইউটিউব চালাতে পারে, টিকটক দেখতে পারে—সেই দিকে নিয়ে যেতে হবে। ডিফারেন্সটা হলো স্যার, একটা স্মার্টফোনের যে টোটাল এলসিডি, আমাদের ফিচার ফোনে ছোট্ট একটা এলসিডি থাকবে। এলসিডিতে মানে অনেক দাম কমে আসবে। এরপরে ভেতরের মেমোরি সাইজ। মেমোরি সাইজ নরমালি স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড যে হয়, গুগলের একটা সার্টিফাইড সিলিং থাকে—এর নিচে তুমি মেমোরি দিতে পারবা না, তারা এলাউ করে না, সফটওয়্যারগুলো এলাউ করে না। সো ফিচার ফোনের ক্ষেত্রে অনেক এই ধরনের শিথিলতা দেবে যে এন্ট্রি লেভেলের কাস্টমার যাতে গুগলে আসতে পারে।’’
তখন এনবিআর চেয়ারম্যান জানতে চান, ‘‘এটা কবে থেকে আসবে?’’
তখন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘‘এটা স্যার আমরা কাজ করতেছি। লোকাল ব্র্যান্ড সিম্ফনি আমরা কাজ করছি। এটা এই বছরের শেষ নাগাদ আসবে। আমরা মার্কেটে ট্রাই করছি আরকি।’’
সম্পাদক ও প্রকাশক: জোনায়েদ মানসুর, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। রেজিস্টার্ড : ২৯২ ভূইয়া পাড়া প্রধান সড়ক, খিলগাঁও, ঢাকা- ১২১৯। সম্পাদকীয়: ০১৭৮৯৪২১৪৪৪, বার্তাকক্ষ : ০১৯১৩৫৫৫৩৭১। ই-মেইল: inextpr@gmail.com , (বিজ্ঞাপন), newsuddokta@gmail.com (বার্তাকক্ষ)